পুরুষের ম্যাগনেসিয়াম ঘাটতি: কতটা দরকার, কেন কম পড়ে, কী খাবেন
যেসব গবেষণা ও সূত্র ব্যবহার করা হয়েছে, সেগুলো লেখার শেষে দেওয়া আছে। সম্পাদকীয় নীতি
ম্যাগনেসিয়াম নীরবে পেশি, স্নায়ু আর রক্তনালির কাজে সাহায্য করে। ডাল, শাক আর আটার রুটির খাবারে এটি ভালোই থাকে, কিন্তু খাবার যত সাদা ভাত, ময়দা আর ভাজাপোড়ার দিকে যায়, তত কমে। কতটা দরকার, কেন কম পড়ে, আর কী খাবেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সুপারিশ (RDA) অনুযায়ী পুরুষের দিনে 19 থেকে 30 বছর বয়সে 400 mg, 31 থেকে 420 mg ম্যাগনেসিয়াম দরকার। 2024 সালের একটি বৈশ্বিক গবেষণার মডেল অনুমানে বাংলাদেশ ও ভারতের পুরুষদের মধ্যে ম্যাগনেসিয়াম ঘাটতি 70টি দেশের মধ্যে সবচেয়ে কমদের দলে (শুধু খাবারের হিসাব)। মডেল কারণ বলে না, তবে ডাল, শাক আর আটা ম্যাগনেসিয়ামের ভালো উৎস। তবে কলে ছাঁটা সাদা চাল আর ময়দায় ম্যাগনেসিয়াম অনেক কম: 100 g লাল চালের ভাতে 49 mg, সাদা চালের ভাতে মাত্র 7 mg। খাবার থেকেই শুরু করুন, আর সাপ্লিমেন্ট নিলে দিনে 350 mg-এর মধ্যে রাখুন।
এই লেখায়
ম্যাগনেসিয়াম কী কাজ করে
ম্যাগনেসিয়াম শরীরের 300-র বেশি এনজাইমের কাজে সাহায্য করে। প্রাপ্তবয়স্কের শরীরে প্রায় 25 g ম্যাগনেসিয়াম থাকে, যার 50 থেকে 60% হাড়ে। মূল কাজগুলো:
- শক্তি: খাবার থেকে শক্তি তৈরি আর প্রোটিন গঠনে অংশ নেয়।
- পেশি: ক্যালসিয়াম পেশিকে সংকুচিত করতে সাহায্য করে; ম্যাগনেসিয়াম কাজ করে শিথিল হওয়ার দিকে।
- স্নায়ু: স্নায়ুর সংকেত চলাচলে সাহায্য করে।
- রক্তনালি: রক্তনালি প্রসারিত হওয়ায় ভূমিকা রাখে।
লিঙ্গোত্থান নির্ভর করে লিঙ্গের রক্তনালি প্রসারিত হয়ে রক্ত ঢোকার ওপর, আর পেলভিক ফ্লোর (PC পেশি) সেই রক্ত ধরে রাখতে সাহায্য করে। বেশি ম্যাগনেসিয়াম খেলে লিঙ্গোত্থান ভালো হয়, এমন কোনো গবেষণা নেই, তবে পেশি ও রক্তনালি যেসব পুষ্টির ওপর নির্ভর করে, ম্যাগনেসিয়াম তার একটি।
কতটা দরকার, আর কতটা পাওয়া যায়
| পুরুষ, বয়স | যুক্তরাষ্ট্রের RDA (দিনে) |
|---|---|
| 19–30 | 400 mg |
| 31 ও তার বেশি | 420 mg |
| সাপ্লিমেন্ট ও ওষুধ থেকে সর্বোচ্চ সীমা | 350 mg |
যুক্তরাষ্ট্রের NIH ডায়েটারি সাপ্লিমেন্ট অফিস। সর্বোচ্চ সীমা শুধু সাপ্লিমেন্ট ও ওষুধের ম্যাগনেসিয়ামের জন্য, খাবারের জন্য নয়। বাংলাদেশ বা ভারতের নিজস্ব সুপারিশ কিছুটা আলাদা হতে পারে।
বাংলাদেশের খাদ্যগ্রহণ জরিপের এমন কোনো সংখ্যা আমরা পাইনি যা এখানে উদ্ধৃত করা যায়। Passarelli ও সহকর্মীদের বৈশ্বিক গবেষণা (2024) অনুমান করেছে, 20 বছরের বেশি বয়সী বাংলাদেশি পুরুষদের প্রায় 24% এবং ভারতীয় পুরুষদের প্রায় 10% খাবার থেকে প্রয়োজনের কম ম্যাগনেসিয়াম পান। একই মডেলে পাকিস্তান, জাপান ও ভিয়েতনামে এই হার 97 থেকে 98%। এগুলো মডেলের অনুমান, মাপা ফল নয়। যেসব দেশ সরাসরি মেপেছে, সেখানে ঘাটতি স্পষ্ট: জাপানে 20 বছরের বেশি পুরুষরা গড়ে দিনে মাত্র 270 mg পান (2019 সালের জরিপ), আর যুক্তরাষ্ট্রে 48% মানুষ গড় প্রয়োজনের কম পান (NHANES 2013–2016)।
আজকের খাবারে কেন কম পড়ে
কলে ছাঁটা চাল আর ময়দা
শস্যের ম্যাগনেসিয়ামের বেশিরভাগ থাকে ভ্রূণ আর তুষের স্তরে, যা চাল কলে ছাঁটলে বা ময়দা বানালে বাদ পড়ে যায়। জাপানের খাদ্য উপাদান সারণিতে 100 g লাল চালের ভাতে 49 mg, সাদা চালের ভাতে 7 mg। দিনে দুই-তিনবার ভাত খেলে এই ফারাক বড় হয়ে দাঁড়ায়। আটার রুটি ময়দার পরোটা বা নানের চেয়ে ভালো উৎস।
ডাল আর শাক কমে যাওয়া
বীজ, বাদাম, ডাল আর সবুজ শাক সবচেয়ে ভালো উৎস। ঘরের রান্নায় এগুলো স্বাভাবিকভাবেই থাকে, কিন্তু অফিসের দুপুরের খাবার, বিরিয়ানি, তেহারি আর ভাজাপোড়ায় দিন চললে এগুলোর পরিমাণ খুব কমে যায়।
মদ্যপান
দীর্ঘদিন বেশি মদ্যপান করলে ম্যাগনেসিয়াম ঘাটতি সাধারণ, কারণ প্রস্রাবে বেশি বেরিয়ে যায়।
ওষুধ ও অসুখ
কিছু প্রস্রাব বাড়ানোর ওষুধ (লুপ ও থায়াজাইড ধরনের) দীর্ঘদিন খেলে প্রস্রাবে ম্যাগনেসিয়াম বেশি বেরোতে পারে। ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বা টাইপ 2 ডায়াবেটিস থাকলেও বেশি বেরোতে পারে। এই অঞ্চলে ডায়াবেটিস খুবই সাধারণ, তাই এটা মনে রাখা দরকার।
প্রায়ই শোনা যায় ঘাম বা মানসিক চাপে ম্যাগনেসিয়াম কমে; আমরা যেসব সরকারি সূত্র দেখেছি তাতে এমন কিছু পাইনি।
কম পড়লে কী হয়
প্রথমেই বলা দরকার, স্বাভাবিকভাবে খাওয়া সুস্থ মানুষের স্পষ্ট ম্যাগনেসিয়াম ঘাটতি কমই হয়: কিডনি ম্যাগনেসিয়াম ধরে রেখে শরীরের মাত্রা স্থির রাখে। কিন্তু বছরের পর বছর সুপারিশের কম খাওয়া আলাদা ব্যাপার। সরকারি সূত্রে যা বলা আছে:
- প্রথম দিকের লক্ষণ: খিদে কমে যাওয়া, বমিভাব, ক্লান্তি ও দুর্বলতা। সবই অস্পষ্ট, আর এদের অনেক অন্য কারণও আছে।
- বাড়লে: অবশ ভাব, ঝিনঝিন, পেশিতে খিল আর অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন।
তাই শুধু পায়ে খিল ধরলেই ম্যাগনেসিয়াম কম, তা নয়। লক্ষণ দেখে আন্দাজ করার চেয়ে রোজকার খাবার দেখা বেশি কাজের।
পুরুষদের নিয়ে গবেষণা
- কারা
- ইতালির টাসকানির বাসিন্দাদের নিয়ে InCHIANTI গবেষণার 65 বছরের বেশি বয়সী পুরুষ
- কী দেখা হয়েছে
- রক্তের ম্যাগনেসিয়াম, এবং টেস্টোস্টেরন ও IGF-1 (বৃদ্ধি-সংক্রান্ত হরমোন)-এর সঙ্গে তার সম্পর্ক
- ফল
- বয়স, শরীরের আকার, হাতের মুঠির শক্তি ও অসুখ বিবেচনায় নেওয়ার পরও, যাঁদের রক্তে ম্যাগনেসিয়াম বেশি, তাঁদের টেস্টোস্টেরন ও IGF-1 বেশি থাকার প্রবণতা দেখা গেছে
- সীমাবদ্ধতা
- একবারই মাপা হয়েছে, তাই বেশি ম্যাগনেসিয়াম টেস্টোস্টেরন বাড়ায় তা দেখানো যায় না। খাবার নয়, রক্তের মাত্রা দেখা হয়েছে, আর শুধু বয়স্ক পুরুষদের
রক্তনালির দিক থেকে, 22টি সাপ্লিমেন্ট পরীক্ষার একটি মেটা-অ্যানালাইসিসে রক্তচাপ সামান্য কমার কথা জানানো হয়েছে: সিস্টোলিক প্রায় 3 থেকে 4 mmHg, ডায়াস্টোলিক 2 থেকে 3 mmHg। পার্থক্য ছোট এবং মানুষভেদে আলাদা। উচ্চ রক্তচাপ থাকলে সাপ্লিমেন্টের ওপর ভরসা না করে ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।
ঘুম, ওজন ও খাবারের মাধ্যমে টেস্টোস্টেরনের জন্য কী করতে পারেন, তা আছে টেস্টোস্টেরন কীভাবে বাড়ানো যায় লেখায়।
ম্যাগনেসিয়াম বেশি আছে এমন খাবার
ভাত-রুটির দেশে সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটা প্রধান খাবারেই। তারপর ডাল, শাক, বাদাম আর বীজ। নিচের পরিমাণ যুক্তরাষ্ট্রের NIH ডায়েটারি সাপ্লিমেন্ট অফিসের।
Photo: Ceeseven / CC BY-SA 4.0লাল চাল (ঢেঁকিছাঁটা বা কম ছাঁটা)
ম্যাগনেসিয়াম
½ কাপ ভাত: প্রায় 42 mg
অভ্যাস না থাকলে সাদা চালের সঙ্গে মিশিয়ে শুরু করুন

পালং শাক
ম্যাগনেসিয়াম
½ কাপ সেদ্ধ: প্রায় 78 mg
শাক ভাজি বা ডালে দিয়ে রোজ খাওয়া সহজ
Photo: HaJunkiyada / CC BY-SA 4.0কাঠবাদাম
ম্যাগনেসিয়াম
28 g শুকনো ভাজা: প্রায় 80 mg
কাজুবাদাম কাছাকাছি: 28 g-তে প্রায় 74 mg

মিষ্টি কুমড়ার বিচি
ম্যাগনেসিয়াম
28 g ভাজা: প্রায় 156 mg
তালিকার সবচেয়ে সমৃদ্ধ উৎস। কম লবণেরটা বেছে নিন

হোল হুইট পাউরুটি
ম্যাগনেসিয়াম
1 স্লাইস: প্রায় 23 mg
রোজকার আরও কিছু খাবার, যেগুলোতে ম্যাগনেসিয়াম পাওয়া যায় (রান্নার ধরনে পরিমাণ বদলায়, তাই সংখ্যা দিইনি):
| খাবার | সহজে খাবারে রাখার উপায় |
|---|---|
| মসুর, মুগ, ছোলার ডাল | প্রতিদিন এক বাটি ঘন ডাল |
| ছোলা | সেদ্ধ বা কম তেলে রান্না করা ছোলা, ভাজা ছোলার চেয়ে ভালো |
| আটার রুটি | ময়দার পরোটা বা নানের বদলে |
| চিনাবাদাম | এক মুঠো খোসা ছাড়ানো বাদাম, চানাচুরের বদলে |
| লাল শাক, কলমি শাক, পুঁই শাক | প্রতি বেলায় এক পদ শাক বা সবজি |
একদিনের উদাহরণ
প্রায় 100 mg বাড়াতে চাইলে এমন হতে পারে:
- সকাল: পরোটার বদলে দুটো আটার রুটি, সঙ্গে ডাল বা সবজি
- দুপুর: ভাতে কিছুটা লাল চাল মেশানো, এক বাটি ডাল ও এক পদ শাক (পালং শাক ½ কাপে প্রায় 78 mg)
- রাত: সবজি আর ছোলা বা ডাল দিয়ে রুটি বা ভাত
- নাশতা: চানাচুর বা চিপসের বদলে এক মুঠো কাঠবাদাম বা মিষ্টি কুমড়ার বিচি (80 থেকে 156 mg)
বাদাম ও বীজে চর্বিও বেশি, তাই ছোট এক মুঠোই যথেষ্ট। গবেষণায় দেখা অন্য খাবারের কথা আছে খাবার ও লিঙ্গোত্থান লেখায়।
সাপ্লিমেন্ট নিলে
- দিনে সর্বোচ্চ 350 mg: সাপ্লিমেন্ট ও ওষুধের ম্যাগনেসিয়ামের জন্য। খাবারে কোনো সীমা নেই, কারণ সুস্থ কিডনি বাড়তিটা প্রস্রাবে বের করে দেয়।
- পাতলা পায়খানা: সাপ্লিমেন্ট বা ওষুধ থেকে বেশি পরিমাণে পাতলা পায়খানা হতে পারে, প্রায়ই বমিভাব আর পেটে মোচড়ের সঙ্গে।
- কিডনির রোগ: ম্যাগনেসিয়াম রক্তে জমে (হাইপারম্যাগনেসেমিয়া) রক্তচাপ কমাতে, বমিভাব ও হৃৎস্পন্দনে পরিবর্তন ঘটাতে পারে। আগে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করুন।
- জোলাপ ও অ্যান্টাসিড: কিছু ওষুধে ম্যাগনেসিয়াম থাকে। সাপ্লিমেন্টের সঙ্গে যেন যোগ না হয়ে যায়, ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সঙ্গে মিলিয়ে নিন।
রোজকার খাবার মিলিয়ে দেখতে চাইলে
সুপারিশ কত, তা সহজেই জানা যায়; আসলে কতটা খাচ্ছেন, তা হিসাব না করলে বোঝা কঠিন। প্রতিটি খাবার লিখে রাখা ঝামেলার, তাই প্রতি বেলার খাবারের ছবি তুলে এক-দুই সপ্তাহের ধরন দেখা সহজ।
ছবি থেকে অনুমান মোটামুটি ধারণা মাত্র, সঠিক পরিমাণ নয়।
কখন ডাক্তার দেখাবেন
খাবার বা সাপ্লিমেন্ট দিয়ে চেষ্টা না করে আগে ডাক্তার দেখান, যদি:
- বুক ধড়ফড় করে, হৃৎস্পন্দন লাফায় বা অনিয়মিত লাগে
- অবশ ভাব বা পেশিতে খিল বারবার ফিরে আসে, বা হঠাৎ পায়ে খিল ঘন ঘন হয়
- ক্লান্তি বা খিদে না থাকা 2 সপ্তাহের বেশি চলে, বা চেষ্টা ছাড়াই ওজন কমে
- সাপ্লিমেন্ট বা জোলাপ খেয়ে মাথা ঘোরে, বমিভাব বা দুর্বল লাগে
- পাতলা পায়খানা কয়েক দিন চলে, বা সঙ্গে জ্বর বা রক্ত থাকে
- মদ্যপান বেড়েই চলেছে, কমাতে পারছেন না
কিডনির রোগ বা ডায়াবেটিসের চিকিৎসা চললে, যিনি চিকিৎসা করছেন তাঁকে জিজ্ঞেস করুন।
সাধারণ প্রশ্ন
পায়ে ঘন ঘন খিল ধরা কি ম্যাগনেসিয়াম কমের লক্ষণ?
সবসময় নয়। ম্যাগনেসিয়াম অনেক কমে গেলে পেশিতে খিল ধরতে পারে, কিন্তু স্বাভাবিকভাবে খাওয়াদাওয়া করা সুস্থ মানুষের স্পষ্ট ম্যাগনেসিয়াম ঘাটতি কমই হয়। খিল ধরার অনেক কারণ আছে: ঘামের পর কম পানি খাওয়া, অতিরিক্ত ব্যায়াম, ওষুধ, রক্তনালি বা স্নায়ুর সমস্যা। বারবার হলে ডাক্তার দেখান।
রক্ত পরীক্ষায় কি বোঝা যায় ম্যাগনেসিয়াম যথেষ্ট কি না?
খুব ভালোভাবে নয়। শরীরের ম্যাগনেসিয়ামের 1%-এরও কম রক্তে থাকে, আর শরীর এই মাত্রা খুব নিয়ন্ত্রিত রাখে; 50 থেকে 60% থাকে হাড়ে। সুস্থ পুরুষের জন্য রোজ কী খাচ্ছেন সেটা দেখাই বেশি কাজের।
রোজ ম্যাগনেসিয়াম সাপ্লিমেন্ট খাওয়া কি নিরাপদ?
প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সাপ্লিমেন্ট ও ওষুধ থেকে দিনে সর্বোচ্চ সীমা 350 mg (সাধারণ খাবারের ম্যাগনেসিয়ামে কোনো সীমা নেই)। এর বেশি হলে পাতলা পায়খানা হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। কিডনির রোগ থাকলে বা কিডনির কাজ কমে গেলে ম্যাগনেসিয়াম রক্তে জমে যেতে পারে, তাই আগে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করুন।
বাংলাদেশ বা ভারতের পুরুষদের কি ম্যাগনেসিয়াম নিয়ে চিন্তার কিছু নেই?
একটি বৈশ্বিক গবেষণার মডেল অনুমানে বাংলাদেশ ও ভারতের পুরুষদের মধ্যে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি বেশিরভাগ দেশের চেয়ে কম দেখা গেছে। তবে এটি গড় হিসাব। ডাল, শাক আর আটা কমিয়ে যিনি মূলত সাদা ভাত, ময়দা আর ফাস্ট ফুড খান, তাঁর ক্ষেত্রে ছবিটা আলাদা হতে পারে। নিজের রোজকার খাবার দেখাই সবচেয়ে ভালো।
সূত্র
- NIH Office of Dietary Supplements. Magnesium: Fact Sheet for Health Professionals. ods.od.nih.gov/factsheets/Magnesium-HealthProfessional/
- Maggio M, et al. Magnesium and anabolic hormones in older men. Int J Androl. 2011;34(6 Pt 2):e594-e600. pubmed.ncbi.nlm.nih.gov/21675994/
- Passarelli S, Free CM, Shepon A, Beal T, Batis C, Golden CD. Global estimation of dietary micronutrient inadequacies: a modelling analysis. Lancet Glob Health. 2024;12(10):e1590-e1599. pubmed.ncbi.nlm.nih.gov/39218000/
- Health and Longevity Net (Japan Foundation for Aging and Health). Magnesium: functions and daily intake, based on the Dietary Reference Intakes for Japanese (2025). জাপানি ভাষায়। www.tyojyu.or.jp/net/kenkou-tyoju/eiyouso/mineral-mg.html
- National Institutes of Biomedical Innovation, Health and Nutrition (Japan). Safety and effectiveness of health foods: Magnesium (intakes from the 2019 National Health and Nutrition Survey). জাপানি ভাষায়। hfnet.nibn.go.jp/mineral/detail656/
- Ministry of Agriculture, Forestry and Fisheries of Japan. Nutrients in rice: brown rice and polished rice (from the Standard Tables of Food Composition in Japan). জাপানি ভাষায়। www.maff.go.jp/j/syouan/keikaku/soukatu/okome_summary/03/hea


